সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমার লেখাসমুহের লিস্ট

 *


গল্পের তালিকা সমুহঃ

১। ও মরতে এসেছিল - ২৭ জানুয়ারি ২০২২

পড়ুন

২। মৃত্যুর তারিখ - ২৮ জানুয়ারি ২০২২


৩। অনন্ত - লেখা ২৭ জানুয়ারি ২০২২

পড়ুন

৪। অগস্ত্য যাত্রা - ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

পড়ুন

৫। প্রজেক্ট সিগমা - ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২

পড়ুন   

৬। গোলক ধাঁধা - ৫ মার্চ ২০২২

পড়ুন

৭। আমার কিছু  একা থাকার অভিজ্ঞতা

পড়ুন

৮ । নাম না দেওয়া একটি গল্প - ১৫ আগস্ট ২০২২ 

পড়ুন

৯ । দেয়ালগুলো এখনো কথা বলে - ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

পড়ূন

১০ । পরিচয় - ৩ জুন ২০২৬

পড়ুন




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অনন্ত

* শুরু  কি করব কিছু বুজতে পারছি না। অনেক দিন ধরেই চিন্তা ভাবনা করছি কিছু করব করব কিন্তু কিছু করা হচ্ছে না। এইদিকে এক মাস ধরে বসে আছি নতুন কিছু করব করব ভেবে। এইসব ভাবতে ভাবতে শামিমের ফোন এলো। কিরে যাবি নাকি ? কোথায় যাওয়ার প্লান? চলে আয় টংয়ের দোকানে । তাও ভাই ভালো । টাকা পয়সার এখন যা টানা টানি অবস্থা । বাসায় ও টাকা চাইতে লজ্জা করে । খুবই এক ভয়ানক অবস্থা।" তুই না কি প্রজেক্ট হতে নিবি বলছিলি। ঐটার কি হল। আরে বললেই কি সব হয় নাকি ? এইসব করতে ফান্ডিং এর প্রয়োজন হয় । আচ্ছা আচ্ছা তুই টং এর দোকানে আয় তারপর কথা হবে। আচ্ছা ঠিক আছে আসছি তুই ও আয়। সন্ধ্যার সময় বাহিরে ভালোই ঠান্ডা পরেছে । হুডিটা পরে বেরিয়ে গেলাম । রাস্তায় অনেক বাতাস বইছে । টং এর দোকানে শামীমের কোন কোন খোঁজ পাওয়া গেল না কিন্তু এতক্ষণ এ ওর চলে আসার কথা ছিল। এই দিকে শালা ফোনটা ও রিসিভ করছে না । ও কি আমার সাথে মজা করছে নাকি?  আমি পকেটে চা-বিড়ি খাওয়ার টাকাই নিয়ে এসেছি। ২ টা সিগারেট কিনে বাড়ি ফিরে যাওয়াই উত্তম কালকে ওর সাথে হিসেব বরাবর করব। টং এর দোকানের একটু সামনে যেতেই একটা বাশ-বাগান পরে। এর পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় মনে হলো পা কা...

নাম না দেয়া এক গল্প

১৫ আগস্ট শোক দিবসের কারনে আমার অফিস বন্ধ। প্রতিদিন সকাল ৬ টায় এলার্ম এর আওয়াজে ঘুম ভেংগে যায়। সরকারি বন্ধ থাকা সত্বেও আজকে তার ব্যতিক্রম হয়নি। আসলে ঘুম থেকে সকাল সকাল উঠার কোনো প্ল্যান ছিল না। গত রাতের একটা ভুলের জন্য আমার সকাল সকাল উঠতেই হলো। এলার্মটা মনে করে বন্ধ করি নি তাই। সারাদিন মাঠে ঘাটে ঘুরাঘুরির পরে বাসায় এসে রান্না করে খেতেও ভালো লাগে না। সোজা বিছানায় এসে ঘুমিয়ে পড়া তখন মনে হয় জীবনের সবথেকে বড় ফরজ কাজ। সেই ফাকে এলার্ম বন্ধ করতে ভুলে গেছি । আমার নাম রবিন । একটা এন জি ও তে কাজ করছি। রাঙ্গামাটিতে পোস্টিং হয়েছে। বয়স প্রায় ৩৪ ছুই ছুই । আপন বলতে মা আছেন আর ছোট একটা বোন আছে । বিয়ে হয়েছে ওর অনেক ভালো পরিবারে । আমার এখনো বিয়ে হয় নি আর ভবিষ্যৎ এ বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা ও নেই। চাকরির সুবাদে সেখানে ঘুরে বেড়াই। সত্যি বলতে কি আমার এই একাকি জিবনটাকে আমি খুব উপভোগ করি।  সারাদিন ঘুমে কাটিয়ে বিকালে রাস্তায় বের হয়েছিলাম। তখনি আমার বসের ফোন। ইচ্ছে করেই ফোন রিসিভ করিনি। আজ ছুটির দিনে আবার কিসের কাজ। কাড়া লিকারের চা খেতে চলে গেলাম মঞ্জু ভাই এর দোকানে ।  “ভাই কড়া লিকারের এক কাপ রঙ...

ভয় পেয়েছেন ভাই?

       কোম্পানির কাজের জন্য প্রায় প্রতি সপ্তাহের শেষে রহিম সাহেবকে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে যেতে হয় । এই সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি । ট্রেন থেকে স্টেশনে নেমে কিছুটা পথ পার হতেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো । ব্যাপারটা যেন না বলে আসা মেহমানের মতো লাগলো রহিম সাহেবের । ছাতাটাও বোধ হয় ট্রেনে ফেলে এসেছেন । এ নিয়ে ছাতা হারানোর সংখ্যা  মনে হয় হাফ সেঞ্চুরি পার হবে । কিছুটা সামনে যেতেই একটা বন্ধ চায়ের দোকান চোখে পড়ল । মাথাটাকে কিছুটা হলেও এই বৃষ্টির হাত থেকে বাচাতে পারবেন এই ভেবেই মনটা আনন্দে নেচে উঠলো । টিনের তলায় কিছুক্ষন দাড়াতেই চল্লিশ  বছর বয়সী এক লোক এশে পাশে দাড়ালো ।  “কি হে মশাই এই এলাকায় নতুন নাকি” “জি ভাই কাজের সুবাদে এখানে আসা আরকি” কেন যে এই কথা বলতে গেলাম এই ভেবে জিভ কাটলাম । “ তো কোথায় ঊঠবেন ?’’ “ হাটহাজারী তে একটা হোটেল বুক করেছিলাম এই বৃষ্টির জন্য মনে হচ্ছে যেতে দেরি হয়ে যাবে । আপনি বুঝি এই এলাকার বাসিন্দা?’’ একটু আগ্রহ নিয়েই কথাটা জিজ্ঞেস করলাম । “ আজ্ঞে সেই রকম না , আবার বলতে গেলে বাসিন্দাও । আমি এখানে ৬ মাস হয়েছি এসেছি।” “ ওহ আচ্ছা । তা এলাকাটা খুব শুনশান...

মৃত্যুর তারিখ

 * শুরু আজকে ব্যাংক এ গিয়ে বসতেই এক ভদ্রলোকের দেখা মিলল। বয়স ৫০-৫৫ এর মতো হবে।সে নাকি তার জমানো সব টাকা তুলে নিতে চায়।আজব ব্যাপার এত সকালে এই রকম আগে কখনো দেখি নি । হয় তো ইমারজেন্সী কেস। তাই কৌতূহল বসতই জিজ্ঞেস করে ফেললাম -কোন বিশেষ প্রয়োজন নাকি? এতগুলো টাকা একবারে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন যে -হ্যা মানে আমি আর বেশিদিন বাঁচবো নাতো তাই টাকাগুলো তুলে নিয়ে যাচ্ছি। -আজব ব্যাপার আপনি কিভাবে জানলেন আর বাঁচবেন না। এইসব তো উপর আলার হাতে।ব্যাপারটা কি ? খুলে বলুন তো -আমার জীবন রেখা বলছে আগামী ২৩ তারিখ আমি মারা যাবো তাই এই আয়োজন। -এই ২৩ তারিখ মনে হতে ২ দিন সময় আছে এইবার আমার তাকে বদ্ধ উন্মাদ বলেই মনে হলো।কিন্তু এই উন্মাদের একাউন্টে ১০লাখ টাকা কে জমিয়ে রাখবে। -এত সিউর হচ্ছেন কিভাবে যে ২ দিন পর ই আপনি মারা যাবেন? এইটা সত্যি নাও ত হতে পারে। নাকি ব্যাংক থেকে টাকা উঠানোর অঝুহাত। -অজুহাত হতে যাবে কেন ? আমার টাকা আমি যেকোন সময় ই তুলতে পারব। আই হ্যাভ দা রাইট। -হ্যা আর এই কথা না বাড়িয়ে টাকা গুলো তার হতে বুজিয়ে একাউন্ট ক্লোজ করে দিলাম। -আচ্ছা আপনার কথাগুলো কি সত্যি ? -হ্যা ।কেন বিশ্বাস হয় না? আপনি ...

দেয়ালগুলো এখনো কথা বলে

প্রথম খণ্ড: ক্ষুধা ও শৈশব অধ্যায় ১: ভাতের ভূগোল ও অস্তিত্বের লড়াই ঢাকা শহরের তপ্ত পিচের ওপর যখন টিসিবির ট্রাকটি এসে দাঁড়ায়, তখন তা কেবল একটি যান থাকে না; তা হয়ে ওঠে এই রাষ্ট্রে বেঁচে থাকার একমাত্র বাস্তব প্রতীক। জুলাই মাসের দুপুর। সূর্যটা মাথার ঠিক ওপরে। রাস্তার পিচ গলে যাচ্ছে। আরিফ যখন সেই দীর্ঘ লাইনের শেষ প্রান্তে দাঁড়াল, তখন সে বুঝতে পারল অর্থনীতির ক্লাসে শেখা 'ডিমান্ড-সাপ্লাই' তত্ত্বটি কতটা নিষ্ঠুর। লাইনে দাঁড়ানো প্রতিটি মানুষ এক একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না, কারণ ক্ষুধার কোনো আভিজাত্য নেই। সামনে একজন বৃদ্ধ, পেছনে একজন গর্ভবতী নারী। আরিফের হাতে একটি পলিথিনের ব্যাগ আর পকেটে তিনশ টাকা। চালের দাম কেজিতে পঁয়ষট্টি টাকা, কিন্তু টিসিবিতে পঞ্চাশ। এই পনেরো টাকার ব্যবধানটাই আরিফের সপ্তাহের বাজার নির্ধারণ করে দেবে। লাইনটা এগোচ্ছে ধীরে। প্রতি পাঁচ মিনিটে তিন ফুট। আরিফ হিসাব করল, তার পালা আসতে আরও ঘণ্টা দুয়েক লাগবে। সে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। পাশের চায়ের দোকান থেকে ভেসে আসছে টকশোর আওয়াজ। "দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে... রিজার্ভ বাড়ছে... রপ্তানি আ...

ও মরতে এসেছিল

 * শুরু - স্যার আসতে পারি। -জি আসুন। নামঃ আমির হোসেন ।বলুন আপনার কি সমস্যা? -আসলে আমার কোন সমস্যা নেই । আমি মারা যেতে চাই। -সিরিয়াস ইস্যু নাকি আপনার রিপোর্ট গুলো দেখান। -স্যার সত্যি আমি মারা যেতে চাই। এই জীবন আর আমার ভালো লাগছে না। - আপনার উচিত ছিল সাইকোলজিস্ট দেখানো । আমার কাছে এসে এইসব এর সমাধান হবে না। -কিন্তু এখন আমি এসেই পরেছি তো আপনি কি আমাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে চান? -আচ্ছা আপনি যে মারা যেতে চান বলে চেচাচ্ছেন কাহিনিটা কি? -এই প্রশ্ন এখন পর্যন্ত কেউ করেনি ।আপনি প্রথম করলেন। আসলেই কি আপনি আমার ঘটনা শুনতে ইচ্ছুক? -হ্যা । যেহেতু আপনি আপনার শেষ রোগী এইটুক সময় তো দেয়া যেতেই পারে। -আচ্ছা । কথা দিন আপনি আমাকে মরতে সাহায্য করবেন। -আপনি মরতে চাইলে তো ছাদ থেকে ঝাপ দিয়েই মরতে পারেন এতে আমার কি প্রয়োজন? -আসলে আত্যহত্যা করা মহাপাপ।আপনি যদি একটা ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলতে পারেন তাহলে সেইটা আত্যহত্যাও হলো না আর কষ্ট ও কম লাগলো । -আপনি তো দেখি আমাকে ফাসাতে এইখানে এসেছেন মিয়া। যাইহোক আপনি আপনার স্টোরি বলেন । আমি দেখি কিভাবে আপনাকে উপকার করতে পারি। - কি আর বল্ব স্যার । আমার জীবনটাই শেষ। আমি আম...