সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মানুষের পক্ষে একা বেচে থাকা কি সম্ভব?

মানুষের পক্ষে কি একা থাকা সম্ভব ? যদি সম্ভব হয় তাহলে সে কিভাবে বেচে থাকবে ? এমন একটি প্লট নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা মনে জাগে , মানুষের একা বেচে থাকা নিয়ে যত গুলো আর্টিকেল রিসার্চ আছে এ পেজে একে একে পাবলিশ করবো । আমি জানি এটা কেউ পড়ে না । নাই বা পড়ুক আত্ততৃপ্তই হল বড় তৃপ্তি। 

এখানে আমি জনসন নামি একটি ক্যরেক্টার দিয়ে সবকিছু খোলাসা করব......

আমার এই গল্পের একটা ক্যারেক্টার জনসন যে পৃথিবীতে একমাত্র বেচে থাকা মানুষ। পৃথিবীর প্রাকৃতিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়ে যাওয়ার জন্য পৃথিবীকে নিজের মত থাকতে দেয়ার জন্য ১০০০ বছরের জন্য মাটির নিচে হাইবারনেশনে চলে যায় মানুষ। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে একজন এই ঘুমে থাকতে চায় নি তিনি নিজের মতো একা একা পৃথিবীতে বেচে থাকতে চেয়েছিলেন। 

what is this?

অধ্যায় এক

৩৫৮৭ সালের দিকে পৃথিবীর এক কোন থেকে পাওয়া গেলো হাতে লেখা একটি ডায়েরি । এ যুগে এসে হাতে লেখা ডায়েরি । জনসন এই ডায়রির কথা শুধু মুখে মুখেই শুনেছিল । আজ যেন সেটা পেয়ে মনে হচ্ছে কোন এক বিশেষ জিনিস পেয়েছে।

২৫ ফেব্রুয়ারী ২৫৬০ সাল

পৃথিবীকে বাচানোর জন্য পৃথিবীর সব মানুষ ১০০০ বছরের জন্য ঘুমে চলে যায় । বাকি থাকি একমাত্র আমি। আজকে থেকে আমার একা বেচে থাকার পথচলা। পৃথিবীর এ বদলে যাওয়া আবহাওয়াকে ঠিক করতে এর থেকে আর ভালো কোনো উপায় ছিলো না । দুর্ভাগ্য বশত আমি বাদ পরে যাই । বাকি জীবন টা একা কাটানোর জন্য শুরু হলো আমার আর কিটির প্রস্তুতি। কিটি আমার আদরের বেড়ালছানা । গতকাল রাস্তায় কুরিয়ে পেয়েছি । কেউ হয়ত ফেলে রেখে গিয়েছে । যাক ওকে পেয়ে অন্তত একাকীত্বতা কাটলো ।

 

২৮ ফেব্রুয়ারী

কোথাও কোন মানুষ দেখতে পারছি না । সবাই হয়ত চলে গেছে হাইবারনেশন এ । আমার মতো কি কেউ নেই যাদের ওখানে জায়গা হয়নি? ২ দিন ধরে সুপার মল গুলো থেকে অনেক শুকনো খাবার ট্রাকে তুললাম । এটা সোলার প্যানেলে চলা একটা ট্রাক । দেখতে খেলনার মতো হলেও সক্তপক্ত। 

 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অনন্ত

* শুরু  কি করব কিছু বুজতে পারছি না। অনেক দিন ধরেই চিন্তা ভাবনা করছি কিছু করব করব কিন্তু কিছু করা হচ্ছে না। এইদিকে এক মাস ধরে বসে আছি নতুন কিছু করব করব ভেবে। এইসব ভাবতে ভাবতে শামিমের ফোন এলো। কিরে যাবি নাকি ? কোথায় যাওয়ার প্লান? চলে আয় টংয়ের দোকানে । তাও ভাই ভালো । টাকা পয়সার এখন যা টানা টানি অবস্থা । বাসায় ও টাকা চাইতে লজ্জা করে । খুবই এক ভয়ানক অবস্থা।" তুই না কি প্রজেক্ট হতে নিবি বলছিলি। ঐটার কি হল। আরে বললেই কি সব হয় নাকি ? এইসব করতে ফান্ডিং এর প্রয়োজন হয় । আচ্ছা আচ্ছা তুই টং এর দোকানে আয় তারপর কথা হবে। আচ্ছা ঠিক আছে আসছি তুই ও আয়। সন্ধ্যার সময় বাহিরে ভালোই ঠান্ডা পরেছে । হুডিটা পরে বেরিয়ে গেলাম । রাস্তায় অনেক বাতাস বইছে । টং এর দোকানে শামীমের কোন কোন খোঁজ পাওয়া গেল না কিন্তু এতক্ষণ এ ওর চলে আসার কথা ছিল। এই দিকে শালা ফোনটা ও রিসিভ করছে না । ও কি আমার সাথে মজা করছে নাকি?  আমি পকেটে চা-বিড়ি খাওয়ার টাকাই নিয়ে এসেছি। ২ টা সিগারেট কিনে বাড়ি ফিরে যাওয়াই উত্তম কালকে ওর সাথে হিসেব বরাবর করব। টং এর দোকানের একটু সামনে যেতেই একটা বাশ-বাগান পরে। এর পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় মনে হলো পা কা...

ভয় পেয়েছেন ভাই?

       কোম্পানির কাজের জন্য প্রায় প্রতি সপ্তাহের শেষে রহিম সাহেবকে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে যেতে হয় । এই সপ্তাহেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি । ট্রেন থেকে স্টেশনে নেমে কিছুটা পথ পার হতেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো । ব্যাপারটা যেন না বলে আসা মেহমানের মতো লাগলো রহিম সাহেবের । ছাতাটাও বোধ হয় ট্রেনে ফেলে এসেছেন । এ নিয়ে ছাতা হারানোর সংখ্যা  মনে হয় হাফ সেঞ্চুরি পার হবে । কিছুটা সামনে যেতেই একটা বন্ধ চায়ের দোকান চোখে পড়ল । মাথাটাকে কিছুটা হলেও এই বৃষ্টির হাত থেকে বাচাতে পারবেন এই ভেবেই মনটা আনন্দে নেচে উঠলো । টিনের তলায় কিছুক্ষন দাড়াতেই চল্লিশ  বছর বয়সী এক লোক এশে পাশে দাড়ালো ।  “কি হে মশাই এই এলাকায় নতুন নাকি” “জি ভাই কাজের সুবাদে এখানে আসা আরকি” কেন যে এই কথা বলতে গেলাম এই ভেবে জিভ কাটলাম । “ তো কোথায় ঊঠবেন ?’’ “ হাটহাজারী তে একটা হোটেল বুক করেছিলাম এই বৃষ্টির জন্য মনে হচ্ছে যেতে দেরি হয়ে যাবে । আপনি বুঝি এই এলাকার বাসিন্দা?’’ একটু আগ্রহ নিয়েই কথাটা জিজ্ঞেস করলাম । “ আজ্ঞে সেই রকম না , আবার বলতে গেলে বাসিন্দাও । আমি এখানে ৬ মাস হয়েছি এসেছি।” “ ওহ আচ্ছা । তা এলাকাটা খুব শুনশান...